ক্যাপ্টেন শাহ আলম
কুমিল্লার মির্জাপুর গ্রামের একজন কৃতী সন্তান। তাঁর পিতা হাজী আব্দুল মতিন এবং মাতা রাজিয়া খাতুন। পেশাগত জীবনে একজন অভিজ্ঞ ও আন্তর্জাতিকভাবে সম্মানিত বৈমানিক হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। পাশাপাশি শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণে তাঁর রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অবদান।
শিক্ষাগত যোগ্যতা
তিনি ১৯৭৮ সালে মির্জাপুর সাতপুকুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ১৯৮০ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হন। ১৯৮৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করে
পেশাগত জীবন
উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করার পর তিনি ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে বৈমানিক হিসেবে যোগদান করেন। দীর্ঘ আট বছরের গৌরবময় কর্মজীবন শেষে ১৯৮৮ সালে ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট পদে অবসর গ্রহণ করেন।
১৯৯০ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে বৈমানিক এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থাপনা পদে দায়িত্ব পালন করেন।
২০১১ সালে কাতার এয়ারওয়েজে যোগদান করেন। বর্তমানে তিনি কাতার এয়ারওয়েজের বোয়িং ৭৭৭ ও ৭৮৭ বিমানের সিনিয়র ক্যাপ্টেন ও প্রশিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। পাশাপাশি কাতার সিভিল এভিয়েশন অথরিটির অনুমোদিত পরীক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
বিমান চলাচল খাতে তাঁর ৪৫+ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে।
শিক্ষা ও সামাজিক অবদান
- মির্জাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি হিসেবে ১০ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন।
- শাহ শরীফ কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন দাতা সদস্য।
- প্রধান পৃষ্ঠপোষক , আল-ইহদা সমাজ কল্যাণ সোসাইটি।
- বাহারুল উলূম মাদ্রাসা, ঢাকার একজন দাতা সদস্য ও এডভাইজার।
- বাংলাদেশ মোরাল পারেন্টিং ট্রাস্ট এর দাতা সদস্য।
- বাংলাদেশ ফোরাম, কাতারের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- বাংলাদেশ পাইলট স্কাই ক্লাব এর সহ সভাপতি,
- বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পাইলট অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন।
- বর্তমানে কাতারস্থ বাংলাদেশ সিআইপি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জাতীয় স্বীকৃতি
বাংলাদেশ সরকারের মনোনয়নে ২০২২–২০২৪ মেয়াদে তিনি বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (CIP) হিসেবে মনোনীত হন।
আল-জাবের ক্যাডেট স্কুল নিয়ে তাঁর প্রত্যাশা
ক্যাপ্টেন শাহ আলম বিশ্বাস করেন, একটি জাতির উন্নতি ও সমৃদ্ধির মূল ভিত্তি হলো সুশিক্ষিত, সুশৃঙ্খল, নৈতিক ও দক্ষ মানবসম্পদ।
আল-জাবের ক্যাডেট স্কুলের সভাপতি হিসেবে তাঁর প্রত্যাশা, প্রতিষ্ঠানটি আধুনিক শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ, শৃঙ্খলা, নেতৃত্বের গুণাবলি ও দেশপ্রেমের সমন্বয়ে আগামী দিনের যোগ্য ও আদর্শ নাগরিক গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তাঁর দীর্ঘ পেশাগত অভিজ্ঞতা, নেতৃত্বের দক্ষতা এবং শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান আল-জাবের ক্যাডেট স্কুলের অগ্রযাত্রায় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
